উজ্জ্বল কুমার সরকার নওগাঁঃ ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:২৯ পি.এম
উজ্জ্বল কুমার সরকার নওগাঁঃ
নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার ১০ নং ভীমপুর ইউনিয়নের শিকারপুর মৌজার বেলি ব্রিজ শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী হিন্দুবাগার মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে । ভীম-একাদশী ১৫ ই মাঘ ২৯ শে জানুয়ারি বৃহস্পতিবার খেপি বসবেন ভূতনাথ বাবার ধামে ভক্তদের সেবা, ও পারনের মধ্যে দিয়ে চাল-ডাল ও ভূগ-রাগ দিয়ে ভূতনাথ বাবার দর্শন, করেন এখানে এখানে হাজার- ভক্তদের বসেথেকে পেটপুরে খিচুড়ি প্রসাদ বিতরণ করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মহাদেবপুর উপজেলার ১০ নং ভীমপুর ইউনিয়নের মাটি ও মানুষের জন প্রয় বিএনপি নেতা ও পরপর একটানা চেয়ারম্যান শ্রী রামভদ্র ও নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন । এই মেলার বিভিন্ন দোকান পাটে ঘুরে লোকজনের সঙ্গে কুশল বিনিময় কথা বলে । এবং এই ই মাঘে মাসের ১ লা ফেব্রুয়ারী রবিবার পূণীমার দিবাগত নিশি রাতে সময় পূনীমায় দেবের দেব মহাদেব বাবার ৭টি নিখুঁত পাতিলে চূলীপূজার করে রান্না করতে হবে।
ফল-মূল-গজার মাছ ভাজা-পোড়সহ বিভিন্ন ধরনের খাবারের ৭ টি পারষ নিয়ে নিষি রাতে ভূতের রাজা দেবের দেব মহাদেব চেলা চামুন্ডাসহ তাদেরকে ঠেকে এনে সেবা দিতে হয়। এই মেলাকে ঘিরে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন ইউনিয়নের জেলা উপজেলা সহ দেশ- বিদেশ প্রত্যেক বাড়িতে জুড়ে। একাধিক সূত্র জানায়, প্রায় পাঁচশ বছর পূর্ব থেকে স্থানীয় ভূতনাথ সন্ন্যাস পুজা উপলক্ষে নওগাঁ সদরে শেষ সীমানা ও মহাদেবপুর উপজেলার শেষ পূর্বধার দক্ষিণে, সম্পূর্ণ ব্যক্তি মালিকানা জমিতে সপ্তাব্যাপী ঐতিহ্যবাহী এই ভূতনাথ মেলা বসে।
প্রতি বছর বাংলা সনের কখনো মাঘের মাসের শেষ অথবা ফাল্গুন মাসের প্রথম সপ্তাহে ভীম-একাদশীতে মেলাটি হয়। এ মেলাকে ঘিরে উৎসবের আমেজে মেতে উঠে মেলার আশে পাশের রানীপুকুর শিকারপুর বলিহার ভীমপুর ফারাতপুর পয়না নিন্দয়ের মৈনম মনারপুর শ্যামপুর চৌমাশিয়া খদ্দনারায়ণপুর লক্ষ্মীপুর গনেশপুর গাজীপুর সহ গ্রামের সব মানুষ। তবে মেলাটি সপ্তাব্যাপী হলেও চলে এবার ত্রৈায়োদশ নির্বাচনের কারনে এই মেলা সীমিত সময়ের জন্য পারর্মেশান দেন । এ মেলায় পূনীমায় দিবাগত রাতে-গজার মাছের ভোগদিয়ে ভক্ত সেবা লোকজনের সমাগম ঘটে। ঈদ বা অন্য কোন উৎসবে জামাই মেয়েদের কিংবা নিকট আত্মীয়দের দাওয়াত না দিলেও চলে কিন্তু হিন্দুবাগা মেলায় সবাইকে নিমন্ত্রণ ও দাওয়াত দিয়ে ধুমধাম করে খাওয়াতে হয় যা এখন কিনা সব ধরনের আত্মীয়-স্বজনদের উৎসবের দিন হিসেবে এই মেলাকে ঘিরে।প্রায় নিজ বাড়িতে মুড়ি ভাজা, নাড়কেলের নাড়ু জিলাপিসহ বিভিন্ন প্রকার মিষ্টি এবং মুখ রুচি কর খাবার তৈরী শুরু করে। ইতিমধ্যে আত্মীয় স্বজনদের দাওয়াত দেয়া হয়েছে।
মেলার স্থান এলাকায় হলেও মেলাটি ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্নস্থানে। এই মেলাকে ঘিড়ে মেলা বসে । আশপাশের বিভিন্নস্থানে। প্রতিবছরের মতো এবারের মেলারও মূল আকর্ষণ হলো ১- থকে ৫ কেজ ওজনের মাছ মিষ্টি ও নানা রকমের মিষ্টি জিলাপি। এছাড়াও মেলায় পাওয়া যায় বিভিন্ন প্রকার মিষ্টি,কাঠের তৈরি গোবিন্দের সিঙ্গাশন বাঁশের তৈরি ডালা-চালন কুলাসহ বিভিন্ন আসবাব পত্র, বেতের তৈরি বেতের তৈরি কাটা, ধামা, ধারা-পাল্লা খুঁচি -পত্র,ছোট এবং বড়দের অনেক রকমের খাবার খেলনা,নানান রকম আচার সহপ্রয়োজনীয় অন্যান্য জিনিসপত্র।