আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:২২ পি.এম
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যদি জনগণের রায়ে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় যায় তাহলে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা গুলোকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ন্যায় জাতীয়করণ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন কুড়িগ্রাম-১ আসনের জামায়াত মনোনীত ১১ দলীয় জোট ( ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ ) সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম। রোববার সন্ধ্যায় ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বেশ কয়টি ইউনিয়নের নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়ন, বেকারত্ব দূরীকরণ, মাদক নির্মূল, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ মুক্ত, দূর্নীতি, অন্যায় ও অপশাসন দূর করবেন বলে ভোটারদের এ প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি তিনি ও তার দল নির্বাচীত হলে দেশের দীর্ঘদিন থেকে অবহেলিত ইবতেদায়ী মাদ্রাসা গুলোকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ন্যায় জাতীয়করণ করা হবে বলেও ঘোষণা দেন।
জানাযায়, ১৯৭৮ সালে ৯ অর্ডিন্যান্স ২ এর ধারা মোতাবেক স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার সমূহকে ১৯৮৪ সনে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়। বাংলাদেশে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাল মিশিয়ে এন সি টি বি কর্তৃক প্রকাশিত শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচক অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষার ন্যায় সকল শিক্ষা পাঠদান করে আসতেছে। দেশে প্রাথমিক শিক্ষার ন্যায় স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীগণ উপবৃত্তি ও ফিডিং এর ব্যবস্থা ছিল যা অজানা কারণে ২০২২ সাল থেকে বন্ধ।
১৯৯৪ ই সালে রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আঠারো হাজার স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার মধ্যে মাত্র ১৫১৯ টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকদের একই পরিপত্রে ৫০০ টাকা ভাতা প্রদান করা হয় কিন্তু ধীরে ধীরে রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০১৩ সালে জাতীয়করণ হলেও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা পূর্বের ন্যায় বেতন বঞ্চিত রয়েছে। দীর্ঘ ৪১ বছর যাবত ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকরা বিনা বেতনে শিক্ষকতা পেশায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
ভিপি নুরুল হক নূরকে কেন ভোট দিবেন জনগণ জানালেন নূর
আগামী বুধবার কুড়িগ্রামে আসছেন আমীরে জামায়াত
বিজয় না আনা পর্যন্ত বিশ্রাম নেই — সীতাকুণ্ডে জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান
১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণ করা হবে- কুড়িগ্রামের জামায়াত প্রার্থী
জাতীয় নির্বাচনে এবার নারী প্রার্থী কম, দলগুলোর অনীহা কেন